কলামিস্টদের নাম
আবেদ খান এর কলামগুলো

জিদ যদি লক্ষ্য হয় হারবে গণতন্ত্র
উপ-সম্পাদকীয়
কালের কন্ঠ
১৭ জুন, ২০১১
পশ্চিমবঙ্গে বাম জমানার শেষদিককার কথা। সিঙ্গুর নিয়ে তখন তুলকালাম হচ্ছে। মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল, মানস ভূঁইয়ার কংগ্রেস সকাল-সন্ধ্যা বন্ধ ডেকেছে। সমর্থন দিয়ে চলেছে বুদ্ধিজীবী সমাজ। অধিকাংশই একসময় বাম সমর্থক ছিলেন। বাম সরকার উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হলো। উচ্চ আদালত রাজ্যের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, জনদুর্ভোগ ইত্যাদির কথা বিবেচনা করে রায় দিলেন দেশের স্বার্থের পরিপন্থী, উন্নয়নের প্রতিবন্ধক এবং জনদুর্ভোগের কারণ বিধায় বন্ধ করা যাবে না। আদালতের এই রায়ের পর সেখানকার শ্রমিক সংগঠনগুলো নানা যুক্তি দিয়ে আদালতকে অনুরোধ করল এই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য। এই রায় দিয়েছিলেন যে বিচারপতি, তিনিই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এক দিনের মধ্যে রায় পর্যালোচনা করে নতুন রায় দিলেন। ...
জীবনের চেয়ে ভারী এই লাশের স্তূপ
উপ-সম্পদকীয়
সমকাল
২৬ এপ্রিল, ২০১৩
এই লেখা যখন লিখছি, তখন সাভারের ধসে যাওয়া আটতলা ভবনের নিচে চাপা পড়ে মৃত মানুষের সংখ্যা ১৭৫-এ দাঁড়িয়েছে। অনুমান করি আমার লেখাটি যখন শেষ হবে তখন হয়তো এ সংখ্যা ২০০-এর কাছাকাছি পেঁৗছবে অথবা অতিক্রম করে যাবে। আর যখন এ লেখাটি প্রকাশিত হয়ে পাঠকের হাতে যাবে ততক্ষণে হয়তোবা ৫০০ ছুঁই ছুঁই করবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এত বিশাল আকারের বিপর্যয় কি এর আগে কখনও হয়েছে? সরকার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে, গার্মেন্ট শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়েছে। বিক্ষোভ করেছে। এর মধ্যে জানা গেল আশুলিয়ায় আরও ...
সেলুকাস, কী বিচিত্র এই দেশ-
উপ-সম্পাদকী
জনকন্ঠ
০৪ জুন, ২০১৩
মাত্র দিন চারেকের জন্য শিলং এবং আসাম গিয়েছিলাম। ফিরে এসে শুনি দেশের ১৫ জন পত্রিকা সম্পাদক এক যুক্তবিবৃতিতে জনাব মাহমুদুর রহমানের মুক্তি চেয়েছেন। তাঁরা দাবি করেছেন, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা এবং দিগন্ত ও ইসলামিক টিভি নামের দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রকাশনা এবং সম্প্রচার আবার শুরু করতে দেয়া হোক। এই যুক্তবিবৃতির পক্ষে যুক্তি হচ্ছে মাহমুদুর রহমান একটি পত্রিকার সম্পাদক, কাজেই তাকে গ্রেফতার করা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। আর কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই ওই দুই টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছে। সরকারের এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে খর্ব করেছে। সম্পাদকদের এই যুক্তবিবৃতির বিরুদ্ধে দেশের কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় বুদ্ধিজীবী পাল্টা বিবৃতি দিয়ে সম্পাদকদের এই ভূমিকার নিন্দা এবং সমালোচনা করেছেন। এর পর পরই বিবৃতিতে স্বাক্ষর দানকারী সম্পাদকদের একজন তাঁর সম্পাদিত পত্রিকায় কেন তিনি এই যুক্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন সেটা ব্যাখ্যা করলেন। এই চার দিনের মধ্যে এতসব কা- ঘটে যাবে, বুঝিনি। ইতোমধ্যে সম্পাদকদের একটি কাউন্সিলও গঠিত হলো। তাতে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ সবই নির্ধারিত হয়ে গেল। ...

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত অনলাইন ঢাকা গাইড -২০১৩