কলামিস্টদের নাম
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান এর কলামগুলো

স্বেচ্ছায় রক্ত দিন, জীবন বাঁচান
ধর্ম
প্রথম আলো
১৪ জুন, ২০১৩
আবহমানকাল ধরে মানবদেহের জন্য রক্তদান এবং রক্ত গ্রহণের ব্যবহার চলছে। ‘আশরাফুল মাখলুকাত’ বা সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের মহামূল্যবান জীবন ও দেহ সুরক্ষায় রক্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য তরল উপাদান। যেকোনো দুর্ঘটনায় শরীর থেকে রক্ত ঝরে গেলে দেহের অভ্যন্তরে অন্ত্র বা অন্য কোনো অঙ্গ থেকে রক্তক্ষরণ হলে অস্ত্রোপচারের জন্য রক্তের খুব প্রয়োজন। প্রসবজনিত অপারেশনের সময় বা বড় ধরনের দুর্ঘটনার মতো নাজুক অবস্থায় রক্ত দেওয়া অত্যাবশ্যকীয় হয়ে পড়ে। মানবদেহে রক্তশূন্যতার জন্য রক্ত গ্রহণের যেমন বিকল্প নেই, তেমনি রক্তের চাহিদা পূরণের ...
ধূমপান বর্জনে ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ট
ধর্ম
প্রথম আলো
৩১ মে, ২০১৩
নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও মানুষ ধর্মীয় অনুশাসন অগ্রাহ্য করে জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও নেশাজাতীয় বিভিন্ন প্রকারের বর্জনীয় বস্তু গ্রহণ করে, যা ধীরে ধীরে উগ্র নেশায় পরিণত হয়। এর মধ্যে বিড়ি, সিগারেট, তামাক, চুরুট, হুক্কা—এসব ধূমপানের সামগ্রী অন্যতম। ধূমপানে নেশা যদিও কম হয়, তবে যে ব্যক্তি প্রথমবারের মতো ধূমপান শুরু করেন তিনি এর নেশা তীব্রভাবে অনুভব করেন। ইসলামি শরিয়তের বিধানমতে, ‘যে জিনিস নেশার উদ্রেক করে সে জিনিসের পরিমাণ কম হলেও তা হারাম।’ এ নীতিমালার আলোকে ধূমপানে নেশা কম হলেও এটা ...
চরম পন্থা নয়, মধ্যম পন্থা অবলম্বন
ধর্ম
প্রথম আলো
১৭ মে, ২০১৩
ইসলামে চরম পন্থা, বাড়াবাড়ি, সীমা লঙ্ঘন, ফিতনা-ফ্যাসাদ, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা কাম্য নয়। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় ভারসাম্যপূর্ণ আচরণ, জাতি-গোষ্ঠীর শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান, সম্প্রীতিপূর্ণ ব্যবহার, পরমতসহনশীলতার মনোভাব ও মধ্যম পন্থা অবলম্বন মুসলমানদের চরিত্রের অনুপম বৈশিষ্ট্য। ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্থায় যখন কেউ গোঁড়ামির মতো একধরনের মারাত্মক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়, তখন মানুষ সাধারণত অন্যের মত ও পন্থাকে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করে না, বরং নিজের মত ও পন্থাকে সঠিক বলে মনে করে এবং সেটাই প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কঠোরতা অবলম্বন ও অহেতুক শক্তি প্রয়োগ করতে চায়। অথচ ...
মজুরি শ্রমিকের ন্যায্যপ্রাপ্য
ধর্ম
প্রথম আলো
১০ মে, ২০১৩
ইসলাম শ্রমিক ও মালিকের ওপর পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে অত্যাবশ্যকীয় শ্রমনীতি প্রণয়ন করেছে। মালিকের প্রধান কর্তব্য হলো কর্মক্ষম, সুদক্ষ, শক্তি-সামর্থ্যবান, আমানতদার ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে কাজে নিয়োজিত করা এবং সময়, কার্যকাল ও ন্যায্য মজুরি নির্ধারণ করে শ্রমিককে কারখানায় নিয়োগ করা। শ্রমিকের বেতন-ভাতা যতক্ষণ পর্যন্ত স্থির করা না হবে, এবং সন্তুষ্ট মনে সে তা গ্রহণ না করবে, ততক্ষণ জোর করে বা ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে কাজে নিযুক্ত করা ইসলামসম্মত নয়। ন্যূনতম মজুরি প্রত্যেক শ্রমিকের প্রয়োজন ও কর্ম অনুসারে নির্ধারিত হবে। শ্রমিককে কমপক্ষে এমন ...
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান
ধর্ম
প্রথম আলো
০১ মে, ২০১৩
শ্রমজীবী মানুষ যখন বিপদাপন্ন, তখন সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো অবশ্যই দরকার। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী মানুষ যখন ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপদগ্রস্ত হয়, তখন তার ধর্মের ভাই অন্য মানুষকে বিপদ-আপদ থেকে মুক্তির জন্য পাশে দাঁড়াতে হয়। অসহায় মানুষের দুর্দিনে তাদের সর্বপ্রকার আর্থিক সহায়তা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, চিকিৎসাসেবা ও শুশ্রূষায় এগিয়ে আসা ইমানের দাবি। ইসলামে পারস্পরিক উপকারের চেষ্টা এবং যার যা কিছু সামর্থ্য আছে তদনুসারে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে, যাতে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের দুঃখ-কষ্ট কিছুটা লাঘব হয়। নবী করিম ...
মদিনা সনদ মানবাধিকারের রক্ষাকবচ
ধর্ম
প্রথম আলো
২৬ এপ্রিল, ২০১৩
মহানবী (সা.) মক্কা থেকে হিজরত করে দেখেন, মদিনায় বসবাসরত মুসলমান, ইহুদি, খ্রিষ্টান, পৌত্তলিক প্রভৃতি সম্প্রদায়ের মধ্যে সদ্ভাব ছিল না। দেশে বিরাজমান সহিংসতা, কলহ-বিবাদ, যুদ্ধ-বিগ্রহপূর্ণ অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে তিনি একটি ইসলামি সাধারণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংকল্পবদ্ধ হয়ে অনুভব করেন যে মদিনায় শান্তিশৃঙ্খলা ও ঐক্য-সমপ্রীতি স্থাপন করা প্রয়োজন। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-দল-মতনির্বিশেষে মানুষের মধ্যে ঐক্য না থাকলে দেশের কল্যাণ হয় না। তিনি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতাদের সংলাপে আহ্বান করে শান্তিপূর্ণ সমঝোতার বৈঠকে বসে তাঁদের জাতীয় ঐক্য ও সামপ্র্রদায়িক সম্প্রীতির আবশ্যকতা বুঝিয়ে একটি সনদ প্রস্তুত করেন। ইসলামের ইতিহাসে এটি ‘মদিনা সনদ’ নামে সুপরিচিত। মদিনায় বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সবাই এ সনদ মেনে শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। নবী করিম (সা.) সেখানে আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, নাগরিকদের মধ্যে শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখাসহ নানা দিক বিবেচনা করে যে সনদ প্রণয়ন করেন, এতে মদিনায় বসবাসরত সব ধর্মাবলম্বীর স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের যথোপযুক্ত স্বীকৃতি ছিল। ...
জানমালের নিরাপত্তা মানুষের অধিকার
ধর্ম
প্রথম আলো
১৯ এপ্রিল, ২০১৩
মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রাথমিক বিষয় তার জানমালের নিরাপত্তা ও বেঁচে থাকার অধিকার। আর অপরকে নিরাপদ রাখা ও বাঁচতে দেওয়া নাগরিক দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে অন্যতম—এটি ইসলামের শিক্ষা। ইসলাম বিশ্বজনীন শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবজাতির জন্য কল্যাণকামী একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। ‘ইসলাম’ অর্থ মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে তাঁর আদেশ মেনে চলার মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা অর্জন। প্রকৃত মুসলমানের পরিচয় তুলে ধরে নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘মুসলমান সেই ব্যক্তি, যার হাত ও মুখ থেকে অপর মুসলমান নিরাপদ।’ ...
সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় ইসলাম
ধর্ম
প্রথম আলো
২২ মার্চ, ২০১৩
ইসলাম শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান নাগরিকদের জানমাল ও সম্মানের অধিকার প্রদান করে না, বরং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী তথা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান প্রভৃতি সংখ্যালঘু অমুসলিম নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করে থাকে। ইসলাম অমুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতা, শিক্ষা, কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য মানবাধিকারও সংরক্ষণ করে। বিশ্বনবী (সা.) অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি ছিলেন অত্যন্ত সহনশীল। এটি ছিল তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির একটি বিশেষত্ব। ইসলাম আরবভূমির বাইরে ও বিজিত অঞ্চলে একমাত্র শান্তিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যে ধর্মে তার শাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন কোনো অবস্থাতেই রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু অমুসলিমদের জীবন ও সম্পত্তির ...
স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইসলাম
উপ-সম্পাদকীয়
দেশ বিদেশ
২২ মার্চ, ২০১২
স্বাধীনতা মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো জনগোষ্ঠীর জন্য এক বিশেষ নিয়ামত। প্রকৃতিগতভাবে মানুষ স্বাধীন। প্রত্যেক মানুষ মার্তৃগর্ভ থেকে স্বাধীনভাবে জন্মগ্রহণ করে। এটাই মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে সহজাত এমন প্রকৃতি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন যে সে নিরঙ্কুশ কোনো সত্তার কাছে ছাড়া অন্য কারও কাছে নতি স্বীকার করতে চায় না। ধর্মপ্রাণ মানুষ এমন এক মহান সত্তার কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে চায়, যিনি সর্বশক্তিমান ও সকল ক্ষমতার উৎস। সেই পরম সত্তা হলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন। তিনি মানবজাতিকে প্রকৃতির অনুসরণের আহ্বান জানিয়ে ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহর প্রকৃতির অনুসরণ করো, যে প্রকৃতি অনুযায়ী তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন; আল্লাহর সৃষ্টির কোনো পরিবর্তন নেই।’ (সূরা আর-রুম, আয়াত: ৩০) ইসলাম মানবজীবনে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনকে ইতিবাচক ও সুস্পষ্টভাবে উৎসাহিত করেছে। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্টির সেরা জীবরূপে মানবজাতিকে শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা দিয়ে অত্যন্ত সম্মানিত করেছেন। তাই মানুষ স্বাভাবিকভাবে এবং সংগত কারণে বহুলাংশে স্বাধীনচেতা। সহজে কোনো প্রকার দাসত্ব মেনে নিতে চায় না। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভৃতি ...
অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণে রোজা
উপ-সম্পাদকীয়
প্রথম আলো
৮ আগস্ট, ২০১১
সমাজে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণের ক্ষেত্রে রোজার ভূমিকা অপরিসীম। বিপদ-আপদ, দুঃখ-কষ্ট ও ক্ষুধা-তৃষ্ণায় পতিত না হলে ক্ষুৎপিপাসার মর্মজ্বালা ও যন্ত্রণা উপলব্ধি করা যায় না। সমাজের বিত্তশালী ও ধনী লোকেরা ক্ষুধা-তৃষ্ণার জ্বালা তেমন অনুভব করতে পারেন না বিধায় অসহায় গরিব-দুঃখীদের দুঃখ-দুর্দশা বুঝতে চেষ্টা করেন না। কিন্তু ধনী লোকেরা যখন রমজান মাসে রোজা রাখেন, তখন তাঁরা স্বভাবতই সমাজের গরিব-দুঃখীদের প্রতি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল হন এবং তাদের আর্থিকভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করে চরম ক্ষুধা, অভাব ও দারিদ্র্য বিমোচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসেন। রমজান মাসে রোজাদার বিত্তবান লোকেরা বেশি বেশি দান-খয়রাত, সাদকা, জাকাত ও রোজার ফিতরা দ্বারা গরিব-দুঃখী ও অভাবী নিঃসম্বল ব্যক্তিদের যাঁর যাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য-সহযোগিতা করেন। মাহে রমজানে ধনী ব্যক্তিরা উপলব্ধি করেন যে, তাঁদের অর্থসম্পদে গরিব-দুঃখীদের নির্দিষ্ট অংশ বা প্রাপ্য আছে। কেননা, জনজীবনে অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ এবং সম্পদের ভারসাম্য স্থাপন সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তাদের (ধনীদের) সম্পদে অবশ্যই গরিব ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে।’ (সূরা আল-যারিআত, আয়াত-১৯) মাহে রমজানে গরিব-দুঃখীদের প্রতি সম্পদশালীদের প্রচণ্ড ...
প্রসবজনিত মাতৃমৃত্যু রোধে সচেতনতা
ধর্ম
প্রথম আলো
২৪ মে, ২০১৩
গর্ভবতী নারীর নিরাপদ মাতৃত্ব লাভের অধিকার ও মাতৃস্বাস্থ্য পরিচর্যার ব্যাপারে ইসলামের দিকনির্দেশনা রয়েছে। সন্তান গর্ভে এলে গর্ভবতী নারীকে ধর্মীয় অনুশাসন ও অনেক কঠিন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হয়, তা না হলে মা ও শিশু উভয়েরই মৃত্যুর আশঙ্কা হতে পারে। ভবিষ্যতে যিনি মা হবেন, তাঁকে অবশ্যই স্বাস্থ্য উন্নয়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও যথেষ্ট পরিচর্যা করতে হবে। একজন পরিপক্ব সুস্থ মা-ই একজন সুস্থ শিশুর জন্ম দিতে পারেন। সুস্থ শিশুর জন্য নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করা দরকার। এ জন্য গর্ভবতী মায়ের প্রয়োজনীয় বিশ্রাম, যত্ন ও ...
ধর্ম মানুষকে পরিশীলিত করে
ধর্ম
প্রথম আলো
১২ এপ্রিল, ২০১৩
মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ন্যায়নীতি, শান্তি-শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার প্রেরণা থেকেই ধর্ম। শৈশবকাল থেকে যে ব্যক্তি যে ধর্মে বিশ্বাসী, সে ব্যক্তি ওই ধর্মের রীতিনীতি ও বিধিবিধানগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে। সে তার ধর্মীয় মূল্যবোধ দ্বারা লালিত হয় এবং স্বধর্মীয় বৈশিষ্ট্যগুলো পরে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে প্রতিফলিত হয়। ধর্ম মানুষের মনে সামাজিক মূল্যবোধ সঞ্চারিত করে, সত্যবাদিতা, কর্তব্যসচেতনতা, ন্যায়পরায়ণতা, সহমর্মিতা, সহযোগিতা প্রভৃতি আদর্শ গুণে গুণান্বিত হতে শিক্ষা দেয়। যার যার ধর্ম মানুষকে মন্দ পথ পরিহার করে সৎপথে চলার নির্দেশ দেয়, সদাচরণ ও ন্যায়পরায়ণ হতে ...

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত অনলাইন ঢাকা গাইড -২০১৩