কলামিস্টদের নাম
আলী হাবিব এর কলামগুলো

একটা নুড়ি ও একালের ঘনাদা
কল্পকথার গল্প
কালের কন্ঠ
০৭ মে, ২০১৩
কবি নিতান্ত মিথ্যা বলেননি- 'এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি!' যে যাঁর মতো করে ব্যাখ্যা করে নিতে পারেন। দেশটিকে নিয়ে ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক ভাবনা ভাবতে অভ্যস্ত যাঁরা, তাঁরাও ইচ্ছা করলে নিজেদের ভাবনার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন কবির এই বাণী। এক বন্ধুর আবিষ্কার আমাদের দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা তত্ত্বজ্ঞানে অতিশয় দড়। বিষয়টি তিনি আমাদের কাছে ব্যাখ্যা করেছেন। সেই 'আল্লার মাল' থেকে শুরু করে 'লুকিং ফর শত্রুজ' হয়ে 'তালা তত্ত্ব' কিংবা হালের 'স্তম্ভ নাড়াচাড়া' তত্ত্ব থেকে এ সিদ্ধান্তে আসা যেতে পারে যে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক একজন তাত্ত্বিক। তো এই তাত্ত্বিক মন্ত্রীদের নিয়ে আমাদের সেই ব্যর্থ কবি কী ভাবছেন? কয়েক দিন থেকেই কবিকে পাওয়া যাচ্ছে না। কবিদের মন সংবেদনশীল হয়। সাভারে ঘটে যাওয়া মর্মন্তুদ ঘটনায় কবি যে মনে বড় ধরনের আঘাত পেয়েছেন, তা বলাই বাহুল্য। দেশের সব মানুষের মনেই সাভারের ঘটনা বড় ধরনের নাড়া দিয়েছে। এত ঠুনকো মানুষের জীবন! আমরা কবির সন্ধানে বের হই। প্রাত্যহিক প্রাতর্ভ্রমণে কবি আসেন না। বিকেলে হাঁটাহাঁটি করতে বের ...
জনগণ জাঁতাকলে পিষ্ট
রূপকথার গল্প
কালের কণ্ঠ
৯ এপ্রিল, ২০১৩
পুরনো গল্প দিয়েই শুরু করা যাক। যে গল্পের শিরোনাম হতে পারে 'দেখি কী হয়'। গল্পের বর্ণনা সংক্ষেপে করা যাক। এক ভদ্রলোকের ঘরে চুরি হয়েছে। তিনি থানায় গেছেন নালিশ করতে। থানায় গেলে যা হয়, কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা তাঁর কাছে জানতে চাইলেন, আপনি কি কিছুই টের পাননি? ভদ্রলোক জানালেন তিনি সব টের পেয়েছেন। চোর যখন বাইরে থেকে সিঁদ কাটছিল তখনই তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। 'কী করলেন আপনি?' বিস্মিত পুলিশ কর্মকর্তার প্রশ্নের জবাবে ভদ্রলোক বললেন, আমি শুয়ে শুয়ে ভাবছি দেখি কী হয়। তারপর? সিঁদ কেটে চোর ঘরে ঢুকল। পুলিশ কর্মকর্তার প্রশ্নের জবাবে ভদ্রলোকের নির্বিকার জবাব। আপনি কিছুই বললেন না! পুলিশের কর্মকর্তা আরো বিস্মিত। ভদ্রলোকের নির্বিকার জবাব, আমি দেখছি। তারপর? পুলিশ কর্মকর্তা তাঁর আগ্রহ চেপে রাখতে পারেন না। আপনি পুরো ঘটনাটি খুলে বলুন। ভদ্রলোক এবার বর্ণনা দিতে শুরু করেন। চোরটা সিঁদ কেটে ঘরে ঢুকল। ঘরে ঢুকে প্রথমে কোথায় কী আছে এক-এক করে দেখল। আমি সবই দেখতে পাচ্ছিলাম। কিন্তু কিছুই বলিনি। শুয়ে শুয়ে ভাবছি, ...
টাকায় যখন স্বপ্ন আঁকা
কল্প কথার গল্প
কালের কন্ঠ
০৯ নভেম্বর, ২০১০
টাকা নিয়ে ফাঁকা বুলি আওড়ানোর কোনো সুযোগ আর নেই। কারণ, ভালো থাকা, সুখে থাকা সব এখন নির্ভর করছে টাকার ওপর। মাপামাপির নানা মাধ্যম আছে। কিছুকাল আগেও মণ-সের-ছটাক ছিল। আজকাল গ্রাম-কিলোগ্রাম-টনে মাপা হয়। আসল মাপটা হয় কিন্তু টাকায়। যাঁর যত টাকা, তাঁর তত ওজন। 'ফেল কড়ি মাখ তেল'_কথাটির সঙ্গে আমাদের সবারই পরিচয় আছে। এই কড়িই হচ্ছে আজকের দিনের টাকা বা মুদ্রা। যখন টাকার প্রচলন হয়নি, তখন কড়িই ছিল বিনিময়ের প্রধান মাধ্যম। তারও আগে পণ্যের বিনিময়ে পণ্য বিনিময় হতো। রূপকথায় তো আমরা পড়েছি সওদাগররা বাণিজ্যে গিয়ে হীরা-জহরত, মণি-মাণিক্য নিয়ে আসতেন। এখন সে দিন হয়েছে বাসি। এখন টাকার যুগ। টাকার গুণে ভালা থাকার যুগ। টাকা না হলে আর চলছে না। টাকা থাকলে শাসন করা যায়। টাকা থাকলে শোষণ করা যায়। টাকায় টাকা আনে। একসময় শোনা যেত, ঢাকায় টাকা ওড়ে। কিন্তু সেই উড়ন্ত টাকা সবার চোখে পড়ে না। ...
আলাপ-সংলাপ=প্রলাপ-বিলাপ!
কালান্তরের কড়চা
কালের কন্ঠ
২১ মে, ২০১৩
শব্দটা আজকাল হামেশাই শুনতে পাওয়া যায়। এখন এটাই নাকি আখেরি দাওয়াই! হাটে-মাঠে-ঘাটে, যাবেন যেখানেই; সবার মুখে এক কথা, এটা ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা নেই। এই পথে গেলে মিলবে সব সমাধান। অন্যথায় থেমে যাবে সম্প্রীতির গান। আবার অস্থিরতা-সহিংসতা রোজ। এই পথে গেলে মিলবে মুক্তির খোঁজ। অতএব, যেই পথে সব যাবে পাওয়া। লক্ষ্য আর মোক্ষ হোক সেই পথে যাওয়া। যে পথের দিশা খুঁজে সবাই হয়রান; কোনদিকে গেলে মিলবে সে পথের সন্ধান? কোথায় সেই পথ? যে পথে গেলে মিলবে সম্প্রীতির রথ! এক সুরে গলা সাধা, রাগিণী-আলাপ- হতে হবে, হতে হবে আলাপ-সংলাপ। আমরা বাঙালি যে তীর্থে বাস করি, সেখানে বিবাদের অন্ত নেই। আমরা এক পথে চলতে পারি না। অন্যের মত মেনে নিতে আমাদের বয়েই গেছে। নিজের মতো চলব, নিজের কথা বলব- এই আমাদের মটো। তাতে যাকে যতটা খাটো করতে হয়, করব। যাকে ল্যাং মারতে হয়, মারব। নিজের জায়গা কেন ছেড়ে দেব? কিংবা যে জায়গা জুড়ে বসে আছে, তাকে গুঁতিয়ে যাব, যতক্ষণ না ...
মার্চ, মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধাপরাধী
উপ-সম্পাদকীয়
কালের কন্ঠ
০২ মার্চ, ২০১০
অগি্নঝরা মার্চ এসে গেল। মার্চ আমাদের স্বাধীনতার মাস, প্রতিরোধের মাস মার্চ। হানাদারদের রুখে দাঁড়ানোর মাস এই মার্চ। বাঙালির স্বাধীনতার বীজমন্ত্র বোনা হয়ে গিয়েছিল অনেক আগেই। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী যখন বুঝতে পেরেছিল যে, বাঙালির হাতে ক্ষমতা অর্পণের বিকল্প আর কিছু নেই, তখনই ২৫ মার্চের রাতের অন্ধকারে বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙালি জাতির জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। এ দিন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার আহ্বান জানান। এ দিন বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করলেন, 'এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম'। ৭ মার্চের পর থেকেই বদলে যেতে থাকে প্রতিদিনের চিত্র। ...
বাঁশি যখন বাঁশ
উপ-সম্পাদকীয়
কালের কন্ঠ
৩১ জানুয়ারী, ২০১০
বাঁশ থেকে হয় শক্ত লাঠি বাঁশ থেকে হয় বাঁশি বাঁশির সুরেই রাধার মুখে উঠতো ফুটে হাসি। বাঁশি জানে সুর তুলতে হৃদ-যমুনায় ঢেউ সেই কথাটা জানেন রাধা আর না জানুক কেউ। বাঁশের লাঠি ফাটায় মাথা বাঁশির সুরে মন যায় যে ছুটে, যখন তখন হয় যে উচাটন। ...
রাজাকার চিরকাল...
উপ-সম্পাদকীয়
কালের কন্ঠ
১৩ জানুয়ারী, ২০১০
রাজাকার চিরকাল রাজাকারই থাকে রাজাকার বলে লোকে চিনে রাখে তাকে। ময়ূরপুচ্ছ যতো পরুক না কাক ছাড়তে তো পারে না সে কা-কা ডাক। বাঘের ছাল পরে হয়তো শেয়াল পূরণ করতে পারে মনের খেয়াল। ক্ষণিকের খেলা এটা, ক্ষণিকের ঝোঁক_ সেরকমই এদেশের কিছু কিছু লোক মুক্তিযোদ্ধা সাজে, ছিল রাজাকার। আচারে ও আচরণে চেনা যায় তাকে রাজাকার চিরকাল রাজাকারই থাকে। ...
খেলে পস্তাবে, না খেলে লোকসান
কল্পকথার গল্প
কালের কন্ঠ
২৩ এপ্রিল, ২০১৩
খাওয়া নিয়ে কত কথা যে কত ভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে, তার ইয়ত্তা নেই। খাওয়া ও খাওয়ানো- দুই ব্যাপারেই বাঙালির যথেষ্ট সুনাম। খাওয়ার কত রকম যে কায়দা-কানুন! পাঁচতারা হোটেলে খেতে গেলে এক নিয়ম। পাইস হোটেলে খেতে গেলে আরেক রকম নিয়ম। আজকাল পাইস হোটেলের চলন তো উঠেই গেছে প্রায়। ফাস্টফুডের জমানায় আজকালকার ছেলেমেয়েরা অনেক খাবারের নামও জানে না। সুকুমার রায় 'খাওয়াবো আজব খাওয়া ভোজ কয় যাহারে' বলে কত রকম খাবারের ফিরিস্তি যে দিয়েছেন! সেসব খাওয়া বাঙালি আজও খাচ্ছে। শুধু খাচ্ছে বললে ভুল হবে, খাওয়ার খেসারতও দিচ্ছে। খাওয়ার খেসারত- কথাটি শুনলে একটু খটকা লাগাই স্বাভাবিক। আমরা তো খাবই। ছোটকালে শোনা একটি গল্প এখানে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা যেতে পারে। একটা বনের ধারে বাস করত এক বিশাল আজদাহা সাপ। সে আমলে গল্পের সাপকে আজদাহা বলা হতো। সেই আজদাহা সাপ রাতের বেলা উঠে আসত লোকালয়ে। গৃহস্থদের গোয়াল ঘরে ঢুকে আস্ত গরু কিংবা ছাগল সাবাড় করে আবার গর্তের ভেতর ঢুকে যেত। তো এই নিয়ে গ্রামের লোকজনের ...
রংবেরঙের পার্টি রে ভাই পার্টি নানা রকম!
কল্পকথার গল্প
কালের কন্ঠ
৩১ আগষ্ট, ২০১০
আর সপ্তাহ দেড়েক পর ঈদ। ঈদের আগে পার্টি নিয়ে পড়া যাক। পার্টি। ছোট এ ইংরেজি শব্দটি নানা অর্থেই ব্যবহৃত হয়। আমরা পার্টি করি। পার্টি দিই। পার্টিতে যাই। পার্টি ছাড়া আমাদের চলে না। সাধারণভাবে আমরা পার্টি বলতে বুঝি কোনো আনন্দ-আয়োজন। আবার বুঝি রাজনৈতিক কোনো দল। এসবের বাইরেও যে পার্টি নেই সে কথা হলফ করে বলা যাচ্ছে না। থাকতেও তো পারে। এমনিতে যেসব পার্টির আয়োজন করি আমরা বা যেসব পার্টির আয়োজন করা হয়, সেসব পার্টির একজন আয়োজক থাকেন। তিনিই পার্টির আয়োজন করেন। সেই পার্টিতে বেশ খাওয়াদাওয়া হয়। কোনো একটা বিশেষ দিন বা বিশেষ উপলক্ষে পার্টি দেওয়া হয়। খাওয়াদাওয়ার পাশাপাশি নাচ-গানও তো থাকতেই পারে, থাকেও। এমনিতে ডিনার পার্টি, টি-পার্টি, রিসেপশন, বার্থডে_এমন অনেক পার্টির সঙ্গে আমরা পরিচিত। ...
হুজুগে বাঙালি ও বিশ্বকাপের হুজুগ
কল্প কথার গল্প
কালের কন্ঠ
১৬ জুলাই, ২০১০
কথায় আছে. 'হুজ্জুতে বাঙাল, হিকমতে চীন'। চীনের যে হিকমত আছে, সেটা আজ সারা বিশ্বে সবারই জানা। কিন্তু বাঙালি কি আসলেই হুজ্জুতে? যে বাঙালি 'হাড়ে বাতাস লাগিয়ে' ঘোরে কিংবা 'ধান ভানতে শিবের গীত গায়', সেই বাঙালি কি 'হুজ্জুতে' হতে পারে! হুজ্জুতে হোক না হোক, বাঙালি যে হুজুগে, সে ব্যাপারে কারো কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়। তবে বাঙালি কারো 'পাকা ধানে মই' দিতে যায় না। 'ধরাকে সরা জ্ঞান করে না'। আজকের এই কঠিন মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগে জীবনযাপনে অনেকের 'আঠারো মাসে বছর' কিংবা অনেকটাই 'ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি' অবস্থা হলেও 'উলু বনে মুক্তো ছড়ানো' যে বাঙালির জন্মগত অভ্যাস, সে বাঙালি হুজুগের বেলায় কিন্তু 'একাই এক শ'। হ্যাঁ, বাঙালির 'ঘাড়ে ভূত চাপে', হুজুগের ভূত। অনেক সময় 'অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট' হয়। 'কত ধানে কত চাল' সেটা যেমন বাঙালি ভালো করে জানে, তেমনি এই বাঙালি 'কেঁচো খুঁড়তে সাপ' বের করে আনে। এটা কিন্তু বাঙালির হুজুগ নয়, স্বভাব। 'দশচক্রে ভগবান ভূত' হয়, বাঙালি হুজুগে ...
মুদ্রাদোষ! মুদ্রার দোষ নয়
উপ-সম্পাদকীয়
কালের কন্ঠ
১৭ জানুয়ারী, ২০১০
এই এক দোষ মানুষের। মুদ্রাদোষ। মুদ্রার সঙ্গে মুদ্রোদোষের কোন যোগসাজশ নেই। মুদ্রা থাক বা না থাক কিস্সু এসে যায় না। মুদ্রাদোষ থাকবেই। আবার মুদ্রার প্রভাবে শুধু নয় ক্ষমতার প্রভাবেও অনেকের মুদ্রাদোষ দেখা দেয়। কথায় কথায় তখন ক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়, মুদ্রদোষ এমনই সাংঘাতিক ব্যাপার। হ্যাঁ, হাত নেই, পা নেই, নাক নেই, চোখ নেই, কান নেই_ এমন মানুষ হয়ত দেখতে পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু মুদ্রাদোষ নেই, এমন কাউকে খুঁজে বের করা খুব মুশকিল। ভাতের ভাতার না হয়ে কিলের গোঁসাই যারা, তাদেরও মুদ্রাদোষ আছে। সাংঘাতিকভাবেই আছে। অর্থাৎ বলা চলে মুদ্রা ছাড়া মানুষ কল্পনা করা যেতে পারে কিন্তু মুদ্রাদোষ ছাড়া মানুষ কল্পনা করা যাবে না। মুদ্রাদোষের কথাই যখন এসে গেল, তখন বিষয়টি নিয়ে একটু কথা বলা যাক। মানুষের যেমন রকমফের আছে, তেমনি মুদ্রাদোষেরও রকমফের অর্থাৎ ভ্যারাইটি আছে। অভিজ্ঞজনরা বলছেন, মুদ্রাদোষ মোটামুটিভাবে তিন রকম। আঙ্গিক, বাচনিক আর কাল্পনিক। হাত নাড়া, পা নাড়া, মাথা নাড়া, মুখভঙ্গী করা ইত্যাদি হচ্ছে আঙ্গিক মুদ্রাদোষ। ...
একালের ছড়া
উপ-সম্পাদকীয়
প্রথম আলো
৩১ ডিসেম্বর, ২০০৯
রাজাকার চিরকাল রাজাকারই থাকে রাজাকার বলে লোকে চিনে রাখে তাকে। ময়ূরপুচ্ছ যত পরুক না কাক ছাড়তে তো পারে না সে কা-কা ডাক। বাঘের ছাল পরে হয়তো শেয়াল পূরণ করতে পারে মনের খেয়াল। ক্ষণিকের খেলা এটা, ক্ষণিকের ঝোঁক_ সেরকমই এদেশের কিছু কিছু লোক মুক্তিযোদ্ধা সাজে, ছিল রাজাকার। ...

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত অনলাইন ঢাকা গাইড -২০১৩